মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

লিগ্যাল এইড

অসহায় ও দরিদ্রদের জন্য সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা

 

Ø বাংলাদেশ সরকার অসহায় ও দরিদ্র জনসাধারণের জন্য সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা প্রদান করছে। 

Ø দেওয়ানি, ফৌজদারি ও পারিবারিক মামলায় এই সহায়তা দেয়া হয়।

Ø নারী, পুরষ ও শিশু কেউ যদি টাকার অভাবে মামলা করতে না পারেন অথবা বিনা বিচারে কারাগারে আটক থাকেন, 

তাহলে সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা পাবেন। 

 

    

  সব ধরনের ফৌজদারী ও দেওয়ানী মামলায় আইনগত সহায়তা প্রদান করা হয়। যেমন ঃ-

 

ফৌজদারী

ফৌজদারী

দেওয়ানী

চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই

অবৈধ অস্ত্র সংক্রান্ত অপরাধ

সন্তানের অভিভাকত্ব

স্ত্রীর বিনা অনুমতিতে ¯^vgxi বিয়ে

মার-পিট বা যে কোন শারীরীক আঘাত

ভরণপোষন ও দেনমোহর আদায়

শারীরিক নির্যাতন

হত্যা

বিবহি বিচ্ছেদ

যৌতুক দাবী, যৌতুকের জন্য নির্যাতন

আত্ন হত্যার প্ররোচনা

সম্পত্তির পূনরুদ্ধার

এসিড নিক্ষেপ

প্রতারণা, জালিয়াতি

দলিল বাতিল

পাচার

মাদক সংক্রান্ত অপরাধ

স্থায়ী  নিষেধাজ্ঞা

অপহরণ

পর্ণগ্রাফী

সম্পত্তি বন্টন বা বাটোয়ারা

ধর্ষণ

মানহানি

ঘোষনা মূলক মামলা

আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কতৃক আটক বা গ্রেফতার

 

চুক্তি সংক্রান্ত মামলা

 

সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা প্রাপ্তির যোগ্যতাঃ

 

Ø কর্মক্ষম নন, আংশিক কর্মক্ষম, কর্মহীন বা বার্ষিক ১৫০০০০ ( এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার ) টাকার উর্ধে আয় করতে অক্ষম এমন মুক্তিযোদ্ধা;

Ø বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন এমন কোন ব্যাক্তি;

Ø ভিজিডি কার্ডধারী দুঃস্থ মাতা;

Ø পাচারের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত নারী বা শিশু;

Ø দুর্বৃত্ত দ্বারা এসিডদগ্ধ নারী বা শিশু;

Ø আদর্শ গ্রামে গৃহ বা ভূমি বরাদ্দ প্রাপ্ত ব্যাক্তি;

Ø অসচ্ছল বিধবা, ¯^vgx পরিত্যাক্তা এবং দুঃস্থ মহিলা;

Ø উপার্জনে অক্ষম এবং সহায় m¤^jnxb প্রতিবন্ধী;

Ø আর্থিক অসচ্ছলতার দরুন আদালতে অধিকার প্রতিষ্ঠা বা আত্মপক্ষ সমর্থন করতে অসমর্থ ব্যক্তি;

Ø বিনা বিচারে আটক এমন ব্যক্তি যিনি আত্মপক্ষ সমর্থন করার যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহণে আর্থিকভাবে অসচ্ছল;

Ø আদালত কতৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলে বিবেচিত ব্যাক্তি;

Ø জেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলে সুপারিশকৃত বা বিবেচিত ব্যাক্তি; 

Ø আইনগত সহায়তা প্রদান আইন-২০০০ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সংস্থা কর্তৃক সময় সময় চিহ্নিত আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় m¤^jnxb, নানাবিধ আর্থ-সামাজিক এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যাক্তি যিনি আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে ¯^xq অধিকার প্রতিষ্ঠার মামলা পরিচালনায় অসমর্থ।

Ø অসচ্ছল বা আর্থিকভাবে অসচ্ছল ব্যক্তি বলতে এমন ব্যক্তিদের বুঝাবে যাদের বার্ষিক গড় আয় ১০০০০০ ( এক লক্ষ) টাকার বেশী নয়। 

 

 

কোথায় আবেদন ফরম পাবেন-

· খুলনা  জেলা লিগ্যাল এইড অফিস

· কারাগার কর্তৃপক্ষ 

· উপজেলা চেয়ারম্যান/ ইউএনও এর কার্যালয়

· ইউপি চেয়ারম্যান/ ইউপি সচিব এর কার্যালয় থেকে পেতে পারেন। 

 

 

সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা প্রাপ্তির আবেদন ফরম ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন

1. খুলনা জেলা লিগ্যাল এইড অফিস, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত এর ৪র্থ তলা, খুলনা। 

2. হট bv¤^vi: ০১৯৫১- ৮৮৪৪৫৫,০ ১৮৬১৭৭৪৪৫৫

 

স্থানীয়ভাবে  আইন সহায়তা পাওয়ার জন্য দ্রুত যোগাযোগ করুন: 

  বাবু রামপ্রসাদ জোদ্দার,ইউপি চেয়ারম্যান ও চেয়ার পার্সন, রঘুনাথপুর ইউনিয়ন  লিগ্যাল এইড কমিটি 

মোবাইল:০১৭১৬০৬০৯০৭

মোঃ কামরুল হাসান, ইউপি সচিব ও সদস্য সচিব, রংপুর ইউনিয়ন  লিগ্যাল এইড কমিটি মোবাইল:০১৯১৮৮০২১৯৮

 

সরকারি খরচে আইনী সহায়তা প্রার্থীদের জন্য যেসকল কাগজপত্র প্রয়োজন ঃ

জমি-জমা সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র ঃ

1. সিএস, এসএ, আরএস রেকর্ডের কাগজপত্র 

2. খাজনার দাখিলা

3. উঈজ (উঁঢ়ষরপধঃব ঈধৎনড়হ জবপরঃব)

4. দলিলের কপি (মূল/জাবেদা)

5. নাম খারিজের কাগজ

6. ভোটার আইডি কার্ড/ জন্ম নিবন্ধন সনদ

পারিবারিক মামলার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র ঃ

1. কাবিন নামা

2. তালাক নামা (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে)

3. ভোটার আইডি কার্র্ড/ জন্ম নিবন্ধন সনদ

4. বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন কার্ড (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে)

5. ২য় বিবাহের কাবিন নামা (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে)

ফৌজদারী/ নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলার  ক্ষেত্রে সম্ভাব্য প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র ঃ

1. মেডিকেল সার্টিফিকেট

2. অন্যান্য কাগজপত্র

3. ভোটার আইডি কার্ড/ জন্ম নিবন্ধন সনদ

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

.১২ নং রংপুর ইউনয়ন লিগ্যাল এইড কমিটির তালিকা 

ক্রম

নাম

পদবী

মোবাইল

০১

বাবু রামপ্রসাদ জোদ্দার

চেয়ারম্যান;

০১৭১৬০৬০৯০৭

০২

মাধুরী মল্লিক

সংরক্ষিত ১ আসনের মহিলা সদস্য;

০১৭৭৮৭১৯২৬৩

03

প্রমিলা সরকার

সংরক্ষিত ২ আসনের মহিলা সদস্য;

০১৮৭২০৯১৪৪৭

04

অঞ্জনা মল্লিক

সংরক্ষিত ৩ আসনের মহিলা সদস্য;

০১৭১১২৯৬২৬১

05

সঞ্জয় মল্লিক

ইউপি সদস্য

০১৭৮১৩০২৯৬১

06

সুমঙ্গল রায়

ইউপি সদস্য

০১৮৭৬৫০৫৭৩৭

07

সত্যরঞ্জন মন্ডল

ইউপি সদস্য

০১৭১৯৬৮৩৪৫৪

08

কাজল বাগচী

অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন  শিক্ষক;

০১৯১১৭১৩৭৩৩

09

সাধনা বিশ্বাস

আনসার ও ভিডিপির একজন মহিলা সদস্য।

০১৭৭৭৮৯৩৪৭০

10

উৎপল মন্ডর

বাজার কমিটি’র সভাপতি বা একজন ব্যাবসায়ী;

০১৭১৬১০৬৭৫৯

11

ফারহানা রহমান

বেসরকারী †¯^”Qv‡mex সংস্থা যদি থাকে এর একজন প্রতিনিধি;

০১৭৪০৯৬৮৩৭৩

12

 

জাতীয় মহিলা সংস্থার জেলা কমিটির চেয়ারম্যান কতৃক মনোনিত একজন প্রতিনিধি

 

13

সুতপা সরকার

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা;

০১৭১২৪৭৭৯৯৯

14

রাজীব মন্ডল

ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার ভিজিটর;

০১৯১২০৯০৯৮৪

15

মো: কামরুল হাসান

ইউনিয়ন পরিষদ সচিব

০১৯১৮৮০২১৯৮

 

 

 

 

সদস্যপদ মেয়াদ:

কমিটির মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে ৩ বৎসরের  মেয়াদে স্থায়ী পদে বহাল থাকিবেন, 

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত  মেয়াদ  শেষ হওয়ার পূর্বেই মনোনয়নকারী কর্তৃপক্ষ  কোন কারণ না দর্শাইয়া  কোন সদস্যকে তাহার পদ হইতে অপসারণ করিতে পারেন।

 

ইউপিল্যাক’র দায়িত্ব ও কার্যাবলী 

1. নিয়মিত দ্বি-মাসিক সভা করা; 

2. সংস্থ্যা কর্তৃক নিরুপিত  যোগ্যাতা ও প্রণীত নীতিমালা অনুসারে আর্থিকভাবে অসচ্ছল, mnq-m¤^jnxb এবং নানাবিধ আর্থ- সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীগণের আবেদন বা দরখাস্ত সংগ্রহ বা গ্রহণ এবং উহা দ্রুত  জেলা কমিটির নিকট  প্রেরণ;

3. অভিযোগ রেজিস্টার পুরণ ও রক্ষনাবেক্ষন;

4. ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন প্রস্তুত ও ডিল্যাকে প্রেরণ;

· আইনগত সহায়তা সম্পর্কে জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন; (পরিষদেও বিভিন্ন সভায় আলোচনা করা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পুস্তিকা বা লিফলেট বিতরন, শিক্ষক ও ধর্মীয় নেতাদেও স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে আলোচনার জন্য তাগিদ দেয়া, স্থানীয়ভাবে অর্থ সংগ্রহ করতে  সভা, সেমিনার ও মাইকিং করা, সহায়তা চেয়ে উপজেলা ও জেলা কমিটি’র নিকট সরাসরি আবেদন করা যেতে পারে) 

5. জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উদযাপন;

 

সভা কিভাবে অনুষ্ঠিত হবে 

1. ইউনিয়ন কমিটির সভা উহার  চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে;

2. কমিটির  চেয়ারম্যান উক্ত কমিটির সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন;

3. কমিটির সভার  কোরামের জন্য উহার  মোট সদস্য মংখ্যার অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মূলতই সভার ক্ষেত্রে  কোন  কোরামের প্রয়োজন হইবে না। 

4. শুধুমাত্র  কোন সদস্য পদের শূন্যতা বা কমিটি গঠনে ত্রুটি থাকার কারণে কমিটির কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তৎসম্পর্কে  কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 

 

১৮. ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটির দ্বি-মাসিক সভায় কি কি বিষয় আলোচনা করা যেতে পারে ? 

 

ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটির দ্বি-মাসিক সভায় ইউনিয়ন পর্যায়ে লিগ্যাল এইড কমিটির কার্যক্রমের তদারকি ও মূল্যায়ন, জেলা ও উপজেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সাথে mgš^q, লিগ্যাল এইড সেবা এবং এর কার্যক্রম উন্নয়নে জেলা ও ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটির নিকটে বিচারপ্রার্থী জনগণের প্রত্যাশা, আইনগত সহায়তা প্রার্থীদের জেলা কমিটিতে প্রেরণ এবং আইন ও লিগ্যাল এইড বিষয়ে সচেতনতা কর্মসূচির সর্বশেষ অগ্রগতির বিষয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।

 

 

ইউআইএসসি কী ও কেন?

ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্র হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদে স্থাপিত তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর একটি অত্যাধুনিক তথ্য ও জ্ঞানকেন্দ্র(টেলিসেন্টার) যার উদ্দেশ্য হলো তৃণমূল মানুষের দোরগোড়ায় তথ্যসেবা নিশ্চিত করা। এ কেন্দ্র থেকে গ্রামীণ জনপদের মানুষ খুব সহজেই তাদের বাড়ীর কাছে পরিচিত পরিবেশে জীবন ও জীবিকাভিত্তিক তথ্য ও প্রয়োজনীয় সেবা পায়।

গত ১১ নভেম্বর ২০১০ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার কার্যালয় থেকে এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)’র প্রশাসক ও নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মিস হেলেন ক্লার্ক ভোলা জেলার চর কুকরিমুকরি ইউনিয়ন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশের সকল ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্র (ইউআইএসসি) একযোগে উদ্বোধন করেন। এ সকল কেন্দ্র থেকে মাসে প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষ তথ্য ও সেবা গ্রহণ করছে। ইউআইএসসির মাধ্যমে সহজে, দ্রুত ও কম খরচে সরকারি ও বেসরকারি সেবা পাবার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের জীবনমানের ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে।

‘জনগণের দোড়গোড়ায় সেবা’ (Service at Doorsteps)-এ ম্লোগানকে সামনে রেখে ইউআইএসসির যাত্রা শুরু হয়। ইউআইএসসি প্রতিষ্ঠার ফলে সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার প্রতিটি ক্ষেত্রে একটি অবাধ তথ্য প্রবাহ সৃষ্টি করা সম্ভবপরহয়েছে, যেখানে মানুষকে আরসেবার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হচ্ছে না, বরং সেবাই পৌঁছে যাচ্ছেমানুষেরদোরগোড়ায়। অবাধ তথ্য প্রবাহ জনগনের ক্ষমতায়নের অন্যতম পূর্বশর্ত। দেশের ৪,৫০১টি ইউনিয়ন পরিষদে তথ্য ও সেবাকেন্দ্র স্থাপনের ফলে গ্রামীণ জনগণের অবাধ তথ্য প্রবাহে অংশগ্রহণসহ দ্রুততম সময়ে তথ্য ও সেবা পাওয়ার পথ সুগম হয়েছে।

উপকরণ:

এলাকার সর্বসাধারণের জন্য উন্নত তথ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি ইউআইএসসিতে একাধিক কম্পিউটার ও সংশ্লিষ্ট উপকরণ রয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে স্থাপন করা হয়েছে এবং হচ্ছে। ইউআইএসসির প্রয়োজনীয় উপকরণ আসে উদ্যোক্তার বিনিয়োগ এবং ইউনিয়ন পরিষদের তহবিল (রাজস্ব খাত ও এলজিএসপি প্রকল্প) থেকে। নূন্যতম স্ট্যাবিলাইজারসহ একটি কম্পিউটার, একটি সাদাকালো প্রিন্টার, একটি কালার প্রিন্টার, অন-লাইন সংযোগ স্থাপনের  জন্য একটি মডেম, একটি স্ক্যানার, একটি ডিজিটাল ক্যামেরা দিয়ে একটি ইউআইএসসি-এর কার্যক্রম প্রাথমিকভাবে শুরু করা সম্ভব। তবে পূর্ণাঙ্গ ইউআইএসসি পরিচালনার জন্য নিম্ন লিখিত উপকরণ দরকার -

  • একাধিক কম্পিউটার (ডেস্কটপ ও ল্যাপটপ)
  • বড় স্ক্রিনসহ ১টি মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর
  • ১টি লেজার প্রিন্টার
  • ১টি কালার প্রিন্টার 
  • ১টি মডেম
  • ১টি স্ক্যানার মেশিন
  • ১টি লেমিনেটিং মেশিন
  • ১টি ফটোকপি মেশিন
  • ১টি ডিজিটাল ক্যামেরা
  • ১টি ওয়েবক্যাম
  • ১টি জেনারেটর  

স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে কোন ইউআইএসসিতে উপরকরণ এর চেয়ে কম বা বেশি থাকতে পারে।

ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে পিপিপিপি (পাবলিক-প্রাইভেট-পিপলস পার্টনারশীপ) মডেলের উপর ভিত্তি করে। প্রতিটি ইউআইএসসিতে দু’জন করে স্থানীয় তরুন উদ্যোক্তা রয়েছে, যাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী। এ উদ্যোক্তারাই ইউআইএসসি পরিচালনা করে থাকেন। কিছু কিছু কেন্দ্রে একজন নারী ও একজন পুরুষ উদ্যোক্তার পাশাপাশি আরো একজন করে নারী ও পুরুষ ‘বিকল্প উদ্যোক্তা’ হিসেবে কাজ করছে।উদ্যোক্তা ইউআইএসসি’র বেতনভুক্ত কর্মী নন, প্রতিটি ইউআইএসসি’র আয়-ই উদ্যোক্তার আয়। ইউআইএসসি’তে উদ্যোক্তা একজন বিনিয়োগকারীও বটে।

পার্টনারশীপ বা অংশীদারিত্ব:

স্থানীয় সরকার বিভাগের নেতৃত্বে ইউআইএসসিসমূহ পরিচালিত হচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনায় ও স্থানীয় প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় ইউআইএসসি’র তদারকিসহ অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ইউআইএসসি’র প্রয়োজনীয় আইসিটি উপকরন ও উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণের অর্থ আসে এলজিডি ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) থেকে। এছাড়াও বিসিসি ১০১৩টি বিদ্যুতবিহীন ইউনিয়নে সোলার প্যাণেল সরবরাহ করে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদকে বিদ্যুতের আওতায় নিয়ে এসেছে। এর বাইরে একাধিক ব্যাংক-বীমা, মোবাইল কোম্পানী, এনজিও, শিক্ষা-গবেষনা প্রতিষ্ঠান, হার্ডওয়্যার-সফটওয়্যার সমিতি প্রভৃতি প্রতিষ্ঠান তাদের সেবা, নতুন দক্ষতা ও কারিগরী সহায়তা নিয়ে ইউআইএসি’র সাথে সম্পৃক্ত হচ্ছে।

ইউএএমএস  বা ইউআইএসসি এ্যাকটিভিটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:

ইউআইএসসি উদ্যোক্তাদের আয়ের হিসাব এবং স্থানীয় প্রশাসনের ফলো-আপে সহযোগিতা করার জন্য ইউআইএসসি কার্যক্রম ব্যবস্থাপনা বা ‘ইউএএমএস’ (http://www.e-service.gov.bd/uams/) নামে একটি অনলাইন সফটওয়্যার তৈরি করা হয়েছে। ইউআইএসসি উদ্যোক্তারা তাদের প্রতিদিনকার আয়ের তথ্য এখানে আপলোড করে থাকেন।

ব্লগ (uiscbd.ning.com):

উদ্যোক্তাদের নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া, আন্ত:সম্পর্ক স্থাপন এবং উদ্যোক্তাদের সাথে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদেরসা থে দ্রুত যোগাযোগের জন্য তৈরি করা হয়েছে ইউআইএসসি ব্লগ (uiscbd.ning.com)। ব্লগটি সারাদেশে বিস্তৃত ৪,৫০১ টি ইউআইএসসি’র ৯,০০২ জন উদ্যোক্তার জন্য এমনই একটি শক্তিশালী অনলাইন প্লাটফরম, যেখানে উদ্যোক্তারা নিজেদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় করার, সমস্যা চিহ্ণিত ও তার সমাধান খোঁজার, সমবেত ভাবে উদ্যোগ গ্রহণের, স্থানীয় প্রশাসনের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার, এমনকি প্রয়োজনে নীতিনির্ধারকদের সাথে আলোচনা করার সুযোগ পাচ্ছে।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter